দিনের শুরুটা ছিল ভয়াবহ। মাত্র ২৬ রানেই নেই তিন উইকেট। তাতে আরও একটি ব্যাটিং ব্যর্থতার গল্পই যেন রচিত হতে যাচ্ছিল। তবে এদিন যেন ভিন্ন পণ নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহীম। শুরুর ধাক্কা তো সামলেছেনই। বাংলাদেশের ইনিংস মেরামত করে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দিয়েছেন। দারুণ এক জুটি গড়ার পথে দুইজনই করেছেন সেঞ্চুরি। ফলে প্রথম দিন শেষে ৫ উইকেটে ৩০৩ রান তুলেছে বাংলাদেশ।

তবে শেষ বেলায় আক্ষেপ রেখে যান মুমিনুল। দ্বিতীয় নতুন বলে আউট হন তিনি। ১৬১ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন তিনি। দারুণ ব্যাট করেছেন মুশফিক রহীমও। ১১১ রানে অপরাজিত আছেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। তার সঙ্গি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ উইকেটে আছেন ০ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: (প্রথম দিন শেষে)

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৩০৩/৫ (৯০ ওভার) (লিটন ৯, ইমরুল ০, মুমিনুল ১৬১, মিঠুন ০, মুশফিক  ১১১*, তাইজুল ৪, মাহমুদউল্লাহ ০*; জার্ভিস ৩/৪৮, চাতারা ১/২৮, টিরিপানো ১/৩৩, রাজা ০/৬৩, উইলিয়ামস ০/৩১, মাভুটা ০/৭৯, মাসাকাদজা ০/৭)।

রিভিউ নিয়ে তাইজুলকে ফেরালেন জার্ভিস

নাইট ওয়াচম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন তাইজুল ইসলাম। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। কাইল জার্ভিসের বলে উইকেটরক্ষক রেগিস চাকাভার হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি। আউট হয়ার আগে ১০ বলে ৪ রান করেছেন তাইজুল।

মুমিনুলের বিদায়ে ভাঙল জুটি

২৬ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর মুশফিকুর রহীমকে সঙ্গে নিয়ে দারুণ এক জুটি গড়েছিলেন মুমিনুল হক। ২৬৬ রানের অভাবনীয় জুটিতে দলকে বড় ইনিংসের ভিত গড়ে দিয়ে আউট হয়েছেন মুমিনুল। দ্বিতীয় নতুন বল নিয়েই সাফল্য পায় জিম্বাবুয়ে। টেন্ডাই চাতারার বলে পয়েন্টে ব্রায়ান চারির হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন মুমিনুল।

২৪৭ বল মোকাবেলা করে ১৬১ রানের ইনিংস খেলেন মুমিনুল। এ রান করতে ১৯টি চার মেরেছেন এ ব্যাটসম্যান। তবে অপর প্রান্তে দারুণ ব্যাট করে যাচ্ছেন মুশফিক। ১১০ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। ৮৬ ওভারে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ২৯২ রান। নাইট ওয়াচম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন তাইজুল ইসলাম।

মুশফিকের সেঞ্চুরি

দলের কোণঠাসা অবস্থায় উইকেটে নেমেছিলেন মুশফিকুর রহীম। মাত্র ২৬ রানেই যে তখন দলের তিন ব্যাটসম্যান সাজঘরে। এরপর মুমিনুল হকের সঙ্গে দারুণ এক জুটি গড়ে দলের চাপ সামলেছেন। নিজেও করেছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। টেন্ডাই মাভুটার বলে মিডউইকেটে ঠেলে দিয়ে সেঞ্চুরির উল্লাসে ফেটে পড়েন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। ১৮৭ বলে এ রান করতে ৭টি চার মেরেছেন তিনি।

৭৬ ওভার শেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২৫৯ রান। ১৩৭ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন মুমিনুল হক। মুশফিক উইকেটে আছেন ১০১ রানে।

মুমিনুল-মুশফিক জুটিতে ডাবল সেঞ্চুরি

শেষ আট ইনিংসে দলীয় স্কোরও দুই শত পার করতে পারেনি বাংলাদেশ। অথচ মিরপুর টেস্টে ঘুরে দাঁড়িয়ে তাতো পার করেছেই, এমনকি মুশফিকুর রহীম ও মুমিনুল হকের জুটিতেই এসেছে দুইশত রান। ১৮৩ বলে প্রথম শত রান করার পর দ্বিতীয় শত রান করতে বল তারা খরচ করেছেন ১৫৯টি। মোট ৩৪২ বলের এ জুটিতে মুমিনুলের অবদান ১১৭ রান।

ডোনাল্ড টিরিপানোর বলে কাভার দিয়ে দারুণ এক চার মেরে নিজেদের জুটির ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মুশফিক। ৬৯ ওভারে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২৩১ রান। ১২৫ রানে ব্যাট করছেন মুমিনুল। মুশফিক উইকেটে আছেন ৮৫ রানে।

দ্বিতীয় সেশনে উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ

এ ম্যাচের আগে শেষ আটটি ইনিংসে দুইশত রানের কোটা স্পর্শ করতে পারেনি বাংলাদেশ। মিরপুর টেস্টে শুরুর ধাক্কা সামলে এর মধ্যেই পার করেছেন দুইশত রান। এমনকি দ্বিতীয় সেশনে কোন উইকেটও হারায়নি টাইগাররা। দারুণ এক সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মুমিনুল হক। সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাচ্ছেন মুশফিকুর রহীমও। দুই ব্যাটসম্যান গড়েছেন দারুণ এক জুটি। আর তাদের জুটিতেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল।

চা বিরতিতে যাওয়ার আগে ৫৮ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৭ রান তুলেছে টাইগাররা। ১১৫ রানে ব্যাট করছেন মুমিনুল। মুশফিক উইকেটে আছেন ৭১ রানে। এর মধ্যেই এ জুটিতে এসেছে ১৮১ রান।

মুমিনুলের সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি 

সাকান্দার রাজাকে চার মেরে ক্যারিয়ারের সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি করেছেন মুমিনুল হক। তিন অঙ্কে পৌঁছাতে ১৫০ বল খেলেছেন এই বাঁহাতি, মেরেছেন ১২টি চার। মুমিনুলের সেঞ্চুরির সময় বাংলাদেশের দলীয় স্কোর দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ১৯১। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে চতুর্থ উইকেট জুটিতে হয়ে গেছে ১৬৫ রান।

মুমিনুলের পর মুশফিকের হাফসেঞ্চুরি

দলের বিপর্যয়ে অধিকাংশ সময়ই জ্বলে ওঠে মুশফিকুর রহীমের ব্যাট। মিরপুর টেস্টেও ২৬ রানে ৩ উইকেট হারানো দলটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে তার ব্যাটেই। দারুণ এক হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। শেন উইলিয়ামসের বলে কাভারে ড্রাইভ করে সিঙ্গেল নিয়ে ফিফটি স্পর্শ করেন তিনি।

৪৪ ওভার শেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৪১ রান। ৬৮ রান নিয়ে ব্যাট করছেন মুমিনুল। মুশফিক ৫৩ রানে উইকেটে আছেন।

মুশফিক-মুমিনুলের জুটিতে একশত রান

শতরানের জুটি গড়লেন মুশফিকুর রহীম ও মুমিনুল হক। চলতি সিরিজে এটাই বাংলাদেশের প্রথম শতরানের জুটি। এ নিয়ে তৃতীয়বার বাংলাদেশের হয়ে এ দুই ব্যাটসম্যান শতরানের জুটি গড়লেন এ দুই ব্যাটসম্যান। সুইপার কাভারে ঠেলে দিয়ে এ জুটির শতরান পূরণ করেন মুশফিক। ১৮৩ বলে আসে এ জুটির একশত রান।

৪২ ওভার শেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১২৮ রান। মুমিনুল ৬০ রান এবং মুশফিক ৪৮ রানে ব্যাট করছেন।

মুমিনুলের হাফসেঞ্চুরি

শুরুতেই তিন উইকেট হারিয়ে দারুণ চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ দল। তবে মুশফিকুর রহীমকে দারুণ এক জুটিতে সে চাপ সামলে নিয়েছেন মুমিনুল হক। নিজেও করেছেন দারুণ এক হাফসেঞ্চুরি। শেন উইলিয়ামসের বলে কাভার অঞ্চল দিয়ে বাউন্ডারি মেরে নিজের ফিফটি পূরণ করেন তিনি। ৯২ বলে ৬টি চারের সাহায্যে এ রান করেছেন এ ব্যাটসম্যান।

৩৮ ওভার শেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১১১ রান। ৫৪ রানে ব্যাট করছেন মুমিনুল। মুশফিক ব্যাট করছেন ৩৭ রানে।

মুশফিক-মুমিনুলের জুটিতে পঞ্চাশ

দিনের শুরুটা ভালো না হলেও ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। ভিতটা গড়ছেন দলের দুই সেরা ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক ও উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম। এর মধ্যেই চতুর্থ উইকেট জুটিতে পঞ্চাশ পূর্ণ করেছেন তারা। ১২০ বলে তাদের জুটির অর্ধশত রান আসে। সিকান্দার রাজার বলে স্কয়ার কাট করে সিঙ্গেল নিয়ে জুটির পঞ্চাশ স্পর্শ করেন মুমিনুল।

৩৫ ওভার শেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৯৬ রান। ৪১ রান নিয়ে ব্যাট করছেন মুমিনুল। মুশফিক ব্যাট করছেন ৩৫ রানে।

লাঞ্চের আগে মুশফিক-মুমিনুলের প্রতিরোধ

২৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বড় চাপেই পড়ে বাংলাদেশ। তবে চতুর্থ উইকেটে মুমিনুল হককে নিয়ে দলের হাল ধরেছেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিকুর রহীম। ২৯ রানের জুটিতে প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছেন তারা।

লাঞ্চের আগে ২৬ ওভার ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে ৫৬ রান করেছে বাংলাদেশ। ২৫ রান নিয়ে ব্যাট করছেন মুমিনুল। আর মুশফিক ব্যাট করছেন ১২ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

প্রথম দিন লাঞ্চ পর্যন্ত

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস:  ৫৬/৩ (২৬ ওভার) (লিটন ৯, ইমরুল ০, মুমিনুল ব্যাটিং ২৫, মিঠুন ০, মুশফিক ব্যাটিং ১২; জার্ভিস ২/২০, চাতারা ০/৯, টিরিপানো ১/১০, রাজা ০/১১)।

অভিষিক্ত মিঠুনও ফিরলেন খালি হাতে

ওয়ানডে ক্রিকেটে দারুণ খেলতে থাকায় পুরষ্কার হিসেবে টেস্ট দলেও ডাক পেয়েছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন। কিন্তু তিনিও বের হতে পারেননি টেস্ট ব্যাটিংয়ের ব্যর্থতার বৃত্তটা থেকে। ডোনাল্ড টিরিপানোর বলে খোঁচা মারতে গিয়ে ধরা পড়েছেন স্লিপে দাঁড়ানো ব্রান্ডন টেইলরের হাতে। ৪ বল মোকাবেলা করে কোন রান করতে পারেননি মিঠুন।

১২ ওভার শেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২৭ রান। ৮ রান নিয়ে ব্যাট করছেন মুমিনুল হক। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নামা মুশফিকুর রহীম উইকেটে আছেন ১ রানে।

ফিরে গেলেন লিটনও

ব্যাটিং ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না বাংলাদেশ। দলীয় ১৬ রানে দ্বিতীয় উইকেটের পতন হয়েছে টাইগারদের। এবার সহজ ক্যাচ তুলে দিয়েছেন লিটন কুমার দাস। কাইল জার্ভিসের বাউন্সার মিড উইকেটে দাঁড়ানো টেন্ডাই মাভুটার হাতে তুলে দেন এ ওপেনার। ৩৫ বলে ৯ রান করেছেন এ ব্যাটসম্যান।

৯ ওভার শেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১৬ রান। মুমিনুল হক ০ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন অভিষিক্ত মোহাম্মদ মিঠুন।

খালি হাতে ইমরুলের বিদায়

দলীয় ১৩ রানেই বাংলাদেশ শিবিরে আঘাত হেনেছে জিম্বাবুয়ে। ওপেনার ইমরুল কায়েসকে ফিরিয়েছে দলটি। কাইল জার্ভিসের হালকা বাউন্সার খেলতে গিয়ে আউট হয়েছেন ইমরুল। ব্যাটের ভেতরের দিকে লেগে ধরা পড়েন উইকেটরক্ষক রেগিস চাকাভার হাতে। ১৬ বল খেলেও কোন রান নিতে পারেননি ইমরুল।

৭ ওভার শেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৩ রান। ৭ রান নিয়ে ব্যাট করছেন লিটন কুমার দাস। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নেমেছেন মুমিনুল হক।

রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন লিটন

ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই লিটন কুমার দাসকে আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার। কাইল জার্ভিসের বলে ব্যাট খোঁচা দিতে গিয়েছিলেন লিটন। ভাগ্য ভালো ব্যাটে লাগেনি। ফলে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান তিনি।

৩ ওভার শেষে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৬ রান। ৪ রান নিয়ে ব্যাট করছেন লিটন। ইমরুল কায়েস উইকেটে আছেন ০ রানে।

বাংলাদেশ দলে তিন পরিবর্তন, দুই অভিষেক

সিলেট টেস্টে দুটি অভিষেক হয়েছিল বাংলাদেশ দলের। ঢাকাতেও দুইজন অভিষিক্ত নিয়ে মাঠে নামছে টাইগাররা। অনেক দিন থেকে টেস্ট ও ওয়ানডে খেললেও প্রথমবারের মতো টেস্ট ক্যাপ পেয়েছেন মোহাম্মদ মিঠুন। এছাড়াও অভিষেক হয়েছে পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদেরও।

সবচেয়ে বড় কথা এ ম্যাচে ফিরেছেন দলের সেরা পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। ফলে আগের টেস্টে এক বিশেষজ্ঞ পেসার খেলালেও এ ম্যাচে দুই পেসারকে পাচ্ছেন অধিনায়ক। আর তাদের জায়গা দিতে দল থেকে বাদ পড়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, নাজমুল ইসলাম রনি ও আবু জায়েদ রাহী।

বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ মিঠুন, আরিফুল হক, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান।

জিম্বাবুয়ে একাদশে এক পরিবর্তন

পরিবর্তন আছে জিম্বাবুয়ে দলেও। ওয়েলিংটন মাসাকাদজার জায়গায় একাদশে ঢুকেছেন ডোনাল্ড টিরিপানো।

জিম্বাবুয়ে একাদশ: ব্রায়ান চারি, হ্যামিল্টন মাসাকাদজা, ব্র্যান্ডন টেইলর, শেন উইলিয়ামস, সিকান্দার রাজা, পিটার মুর, রেগিস চাকাভা, কাইল জার্ভিস, ব্র্যান্ডন মাভুটা, ডোনাল্ড টিরিপানো ও টেন্ডাই চাতারা।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

সিলেট টেস্টে জিম্বাবুয়ের কাছে বিব্রতকর হারের পর মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে মাঠে নামছে বাংলাদেশ দল। সিরিজ হার এড়াতে এ ম্যাচে জিততেই হবে টাইগারদের। গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচের শুরুটা ভালো হয়েছে দলটির। টস জিতে নিয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বেছে নিয়েছেন ব্যাটিং। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হয়েছে এ টেস্ট ম্যাচ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here