প্রায় ৭ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ভোটারের নিরাপত্তায় নিয়োজিত

0
71

শেষ হচ্ছে অপেক্ষার প্রহর। একদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কাল। দশম সংসদ নির্বাচনের চেয়ে এবার মাঠে থাকছে, দেড় লাখের বেশি আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য। প্রশাসন জানায়, ভোটার ও কেন্দ্রের নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও র‍্যাব সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকবে। ভোটারদের মনে কোনো আশংকা থাকলে, সেটি দূর করতে কাজ করবেন তারা।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ভোটের পর থেকে পাঁচ বছরের অপেক্ষার পালা শেষ। ভোটারের দ্বারে একাদশ জাতীয় নির্বাচন।

গত ১০ ডিসেম্বর প্রচার-প্রচারণা শুরুর পর বেশকিছু সহিংসতায় হয়েছে। ফলে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে র‍্যাব পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি নেমেছে সশস্ত্র বাহিনীও।

এবার ৪০ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্র এবং প্রায় সাড়ে ১০ কোটি ভোটারের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৭ লাখ সদস্য। সংখ্যার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৪ লাখ ৪৬ হাজার আনসার সদস্য এবং পুলিশের ১ লাখ ২১ হাজার সদস্য। ১৮ ডিসেম্বর থেকে প্রায় এক হাজার প্লাটুন বিজিবি সদস্যও টহলে আছেন দেশজুড়ে।  সংখ্যার হিসেবে যা প্রায় ৩০ হাজার। সেইসাথে র‍্যাবের ৬ হাজার এবং কোস্টগার্ডের ১৩০০ সদস্য থাকবেন নির্বাচনের দায়িত্বে। এছাড়া প্রথমবারের মতো নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করছেন ৪১ হাজার গ্রাম পুলিশ।

সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সেনাবাহিনীর ৪১৪ প্লাটুন সদস্য ২৪ ডিসেম্বর থেকে সারাদেশে টহল শুরু করেছেন। সংখ্যার হিসেবে সাড়ে ১২ হাজার। আগামি ২ জানুয়ারি পর্যন্ত তারা অবস্থান করবেন জেলা, উপজেলা ও মহানগর এলাকার সংযোগস্থলে। ৪৮ প্লাটুন নৌবাহিনীর সদস্য উপকুলীয় ১৮ উপজেলায় এবং বিমান বাহিনীও প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দেবে।

ভোটকেন্দ্র ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা হিসাব করলে গড়ে প্রতিটি কেন্দ্রে  দায়িত্ব পালন করবেন ১৭ জনেরও বেশি। কেন্দ্রে প্রাথমিক সব কাজে পাওয়া যাবে আনসার সদস্যকে। গেটের বাইরে ও ভেতরে নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক থাকবেন পুলিশ সদস্যরা। নিয়মিত টহল দেবে র‍্যাব ও বিজিবি। গোলযোগ হলে কিংবা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দ্রুততম সময়ে চলে আসবে সেনাবাহিনী। তবে তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ থেকে ১৩২ ধারা মেনে কাজ করবে। উপকুলীয় অঞ্চলে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী সদস্যরা প্রস্তুত থাকবেন। বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৬৫ হাজার সদস্য থাকবেন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আচরণি বিধি পর্যবেক্ষণের জন্য ৬৫২ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল টিমের সাথে ৬৭৬ জনসহ মোট এক হাজার ৩২৮ জন নির্বাহী  ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। এছাড়া বিচারিক কাজে থাকবেন ৬৪০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here