নৌকা, ধানের শীষসহ অন্যদের নিয়ে উৎসবমুখর টাঙ্গাইল শহর

0
130
ঢাকাসহ দেশের অধিকাংশ এলাকায় বিএনপি প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা তেমন না থাকলেও ভিন্ন চেহারা দেখা গেছে টাঙ্গাইল-৫ (টাঙ্গাইল সদর উপজেলা) আসনে। টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন সড়কজুড়ে নৌকার পাশাপাশি ধানের শীষ, লাঙ্গল ও মাথালসহ অন্যান্য প্রতীকের পোস্টার দেখা গেছে।

শহর ছাড়াও এই আসনের নির্বাচনী এলাকার ইউনিয়নগুলোর রাস্তায়ও সামনে পেছনে পোস্টার সেঁটে মাইক নিয়ে বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী শ্লোগান দিতে দিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে অটোরিকশা-ইজিবাইকগুলো।

বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির প্রার্থীদের কোনো নির্বাচনী ক্যাম্প না থাকলেও টাঙ্গাইল শহরের কয়েকটি জায়গায় ধানের শীষের প্রার্থীদের মাহমুদুল হাসানের নির্বাচনী অফিস দেখা গেছে।

এখানে প্রার্থীদের মধ্যে সাবেক মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসানই সবচেয়ে বেশি বার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. ছানোয়ার হোসেন বর্তমান সাংসদ। এছাড়া আওয়ামী লীগের জোট শরিক জাতীয় পার্টির সফিউল্লাহ আল মুনির দলীয় প্রতীক লাঙ্গল নিয়ে ভোটের লড়াইয়ে আছেন। তাদের সঙ্গে সমানতালে প্রচারণায় আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকী। তার প্রতীক মাথাল।

এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল কাশেম সিংহ, ইসলামী আন্দোলনের খন্দকার ছানোয়ার হোসেন হাতপাখা, বিএনএফের মো. শামীম আল মামুন টেলিভিশন, খেলাফত আন্দোলনের সৈয়দ খালেকুজ্জামান মোস্তফা বটগাছ এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আবু তাহের আম প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।

নির্বাচনী এলাকা ঘুরে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রচারণায় নৌকা, ধানের শীষ, লাঙ্গল ও মাথালের প্রার্থী অন্যদের চেয়ে এগিয়ে আছেন। তবে ভোটের মাঠে মূল লড়াই ধানের শীষ ও নৌকার মধ্যে হবে বলেই তারা মনে করছেন।

এ আসনের বারোটি ইউনিয়নের বেশিরভাগই উপজেলার পশ্চিমে চরাঞ্চলে পড়েছে। চরের ভোট পাওয়া, না পাওয়ার ওপর নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করে। প্রার্থীরাও চাইছেন, চরের ভোট আসুক তার বাক্সে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন এবং টাঙ্গাইল পৌরসভা নিয়ে টাঙ্গাইল-৫ আসন। এই আসনে ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ৮০ হাজার ৩৩৮ জন। নারী ভোটার এক লাখ ৯১ হাজার ৭৬৫ এবং পুরুষ ভোটার রয়েছে এক লাখ ৮৮ হাজার ৫৭৩ জন।

 ১৯৮৬ সালের তৃতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদে গেছেন বিএনপির মাহমুদুল হাসান। জাতীয় পার্টির হয়ে ১৯৮৬ সালের উপনির্বাচনে ঢাকার ধানমণ্ডি-মোহাম্মদপুরের আসন এবং ১৯৮৮ সালে টাঙ্গাইল-৫ আসনে নির্বাচিত হন তিনি। পরে বিএনপির টিকেটে পঞ্চম থেকে অষ্টম সংসদ নির্বাচনে এক টানা তিনবার নির্বাচিত হন তিনি।

২০০৮ সালের নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবুল কাশেমের কাছে হেরে যান সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান। তবে ২০১২ সালে টেলিফোন বিল খেলাপের মামলায় আবুল কাশেমের সংসদ সদস্যপদ বাতিল হলে উপ-নির্বাচনে আবার সাংসদ হন তিনি।

স্থানীয়রা বলছেন, টাঙ্গাইল শহর ছাড়াও ১২টি ইউনিয়ন বিশেষ করে চরাঞ্চলে মাহমুদুল হাসানের ‘ভোট ব্যাংক’ রয়েছে। তার বাড়িও চরাঞ্চলে। দীর্ঘদিন সাংসদ থাকায় এলাকায় অনেক উন্নয়ন কাজের জন্যও তাকে মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে।

২০১৪ সালে বিএনপিবিহীন নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন বিজয়ী হয়েছিলেন। ‘পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক’ হিসেবে টাঙ্গাইল শহরের ছেলে ছানোয়ারের সুনাম রয়েছে। চরের ভোট টানতে তিনিও চরাঞ্চলে ‘ব্যাপক উন্নয়ন’ কাজ করেছেন। ফলে চরের ভোট পক্ষে টেনে তার জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।।

তবে জোট শরিক জাতীয় পার্টির প্রার্থী থাকায় তা ছানোয়ারের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

সব পক্ষের প্রচারণা থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হবে বলে মনে করেন শহরের আদালতপাড়ার বাসিন্দা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তনয় রাশেদ।

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মূল লড়াই হবে টাঙ্গাইলের চারজন প্রার্থীর মধ্যে। বর্তমান এমপি ছানোয়ার আছেন। বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হাসানেরও ফিল্ড ভালো। তবে ধারণা করছি, আওয়ামী লীগ জিতে যাবে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মুরাদ সিদ্দিকী প্রচুর টাকা পয়সা খরচ করেছেন। তিনি ফলাফলে ফ্যাক্টর হবেন। জাতীয় পার্টির প্রার্থী কিছু ভোট হয়ত পাবেন, কিন্তু সেটা খুব ফ্যাক্টর হবে না।”

তবে এই আসনে চতুর্মুখী লড়াই হবে বলে মনে করছেন আকুর টাকুর বটতলা এলাকার বাসিন্দা আবদুল আজিজ।

তিনি বলেন, “নির্বাচনে এখন পর্যন্ত পরিবেশ খুব ভালো। লড়াই মনে হচ্ছে চতুর্মুখী। কী হয় কিছুই বলা যাচ্ছে না। আওয়ামী লীগের প্রার্থীও দাঁড়াইছে আবার জাতীয় পার্টির প্রার্থীও দাঁড়াইছে। ফলে ফলাফল কী হয় বলা যাচ্ছে না।”

এই আসনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা চরের ভোট তার পক্ষেই বেশি পড়বে বলে মনে করছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী সফিউল্লাহ আল মুনির।

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এখানে জাতীয় পার্টির অবস্থা এখন পর্যন্ত ভালো। পৌরসভা এবং ইউনিয়নগুলোয় লাঙ্গলের পপুলারিটি এখন সবচেয়ে বেশি। সাধারণ মানুষ আমার কথা বলে। সবচেয়ে বড় কথা হলো আমি চরের ছেলে। চরের ভোটও বেশি। সে কারণে আঞ্চলিকতার একটা টান আছে বলে আমি সেখানকার ভোট পাব বলে আশাবাদী।”

তবে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 “আওয়ামী লীগ তো নরমালি প্রসিডিউরে নাই, মারামারি-কাটাকাটি করতে চায়। আমার অনেকগুলো নির্বাচনী বুথ ভেঙেছে। তবে আমার মনে হয়, এটা আমার জন্য অনেক ভালো। তাদের মারামারির কারণে আমার জনপ্রিয়তা অনেক বেশি বেড়ে গেছে।”

মহাজোটের দুই দল একই আসনে প্রার্থী দেওয়ায় ভোটের ফল অন্য পক্ষে যাবে কি না প্রশ্ন করা হলে জাতীয় পার্টির এই নেতা বলেন, “এটাতে কোনো সমস্যা হবে না। আমাদের মহাজোটের আসন বণ্টনে জাতীয় পার্টির জন্য ২৯টা আসনের মধ্যে এটাও ছিল। হঠাৎ করে নৌকা দিয়েছে। কিন্তু আমার প্রিপারেশন ছিল।

“আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী আমাদের সঙ্গে গোপনে কাজ করছে। আমাকে কিন্তু বলে নাই আপনি মহাজোটের প্রার্থী না। আমি এখনও মহাজোটের প্রার্থী। নীতিনির্ধারণী মহল ওনার ব্যাপারে শেষ মুহূর্তে কী সিদ্ধান্ত নেয় দেখি।”

এতদিন ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকলেও সোমবার থেকে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে যাওয়া শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ধানের শীষের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান।

ওই দিন বিভিন্ন জায়গায় তার লোকজনের ওপর হামলা হয়েছে জানিয়ে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কয়েকটা ঘটনায় নির্বাচনের প্রচারণা বন্ধ হয়েছে। হঠাৎ করে হুগড়া ইউনিয়নে একটা জনসভা ছিল। কিন্তু সভা শুরু হওয়ার আগেই আওয়ামী লীগের লোকজন তা ভেঙে দেয়। এছাড়া গতকাল থেকে আমাদের নেতাকর্মীদের পুলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছে। এজন্য প্রচারণা আজ থেকে প্রায় বন্ধই হয়ে গেছে।”

বিএনপির প্রার্থী বলেন, “আমার বাড়ি চরে সেজন্য চরের লোকজন আমাকে সমর্থন করে বেশি। কিন্তু সব জায়গায়ই আমার ভোট আছে। আমি ছয়টা নির্বাচন করেছি এখন পর্যন্ত, হারিনি। টাঙ্গাইলের যেদিকে তাকান দেখবেন আমি অনেক কাজ করেছি। এজন্যই মানুষ আমাকে ভোট দেবে।”

তিনি একথা বললেও নৌকা প্রতীকের পাশাপাশি নিজের ভাবমূর্তিকেও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছানোয়ার।

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মার্কা ছাড়াও প্রার্থীর প্রতিও বিবেচনা থাকে। আওয়ামী লীগ বিএনপির বাইরেও লোক থাকেন যারা মার্কার বাইরে গিয়ে বিবেচনা করবেন। আমি শহরের মানুষ, পাঁচ বছর এমপি ছিলাম। সে হিসেবে দাবি করছি, আমাকে ভোট দিয়ে আবার নির্বাচিত করার।

“আমি ব্যবসায়ীর ছেলে, অনেক আরাম আয়েশের জীবন কাটিয়েছি। সেসব ছেড়ে আমি সাধারণ মানুষের কাতারে নেমেছি। আমি মনে করি, সেটাই আমার জায়গা।”

শহরের চেয়ে ইউনিয়নগুলোয় অনেক বেশি কাজ করেছেন দাবি করে নৌকার প্রার্থী বলেন, ফলে সেখান থেকে তিনিই বেশি ভোট পাবেন।

“১২টি ইউনিয়নেই বেশি কাজ করেছি। সেখানকার প্রতিটি রাস্তার নাম আমি জানি। এ কারণে শহরের ছেলে হলেও আমি আশা করছি, চরের মানুষও আমাকে ভোট দেবে।”

ছানোয়ার হোসেন বলেন, “আমি পাঁচ বছর কাজ করেছি। যে কোনো সময় যে কোনো কাজে আমাকে আমার এলাকার মানুষ পাশে পেয়েছে। আওয়ামী লীগ ছাড়াও অন্য দলের লোকদের জন্যও আমি কাজ করেছি। আমি আশাবাদী ফলাফল আমার পক্ষে যাবে।”

বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, “প্রতিহিংসার রাজনীতি আমি কখনোই করি না।”

ভোটারদের ভাবনা

টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড থেকে কাগমারি এলাকায় যাওয়ার পথে কথা হয় অটোরিকশা চালক মো. নবাব আলীর সঙ্গে। নির্বাচন কেমন হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি, “ভোট খুব জমিছে। আর জিগনা আছে হেগনা পাত্তা পাব না, ধান-নৌকা আর মাথাল ফাইট দিব। নৌকায় যে দাঁড়াইছে হের তো কোনো বদনাম নাই। মনে অয় হেয় যাইবগা।”

শহরের কলেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা এনাম আহমেদের মতে, বিএনপির অবস্থান আওয়ামী লীগের চেয়ে দুর্বল। এ কারণে নৌকার জেতার সম্ভাবনা বেশি।

“নৌকার পক্ষে সবাই কাজ করছেন। তারা গুছিয়ে নিয়েছে। কিন্তু ধানের শীষের পক্ষে নেতাকর্মীরা সবাই কাজ করতে পারছেন না বা করছেন না। গত নির্বাচনে বিএনপি না আসায় সাংগঠনিক কার্যক্রমও সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। কার্যক্রম না থাকলে মানুষের আগ্রহ কমে যায়। ক্ষমতায় নাই এ কারণেও হয়ত ভরসার জায়গাটা হারিয়ে ফেলেছে।”

তবে একরামুল হক নামে শহরের এক বাসিন্দা বলছেন, এক ব্যক্তিকে দীর্ঘদিন মানুষ দেখতে চায় না, সে কারণেই এবার এই আসনে পরিবর্তন আসবে বলে তার মনে হচ্ছে।

“এই আসনে এবার বিএনপি জিততে পারে। হেয় (নৌকার প্রার্থী) বালা তয় খারাপ কামও কম করে নাই। আর মাইনষে প্রতিদিন এক খাবার খায়ার চায় না। নতুন নতুন খাওন চায়।”

উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ গ্রামে কথা হয় সেখানকার বাসিন্দা বাবলু মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, চারজন প্রার্থী থাকায় এবার ভোটের মাঠে ‘ফাইট’ হবে।

“অহন তো মাডে চাইরজন ভোট করতেছে। যেই ভোট দুইজন ভোটগুলা পাইছাল অহন একটু কাটছাট অইব। অহন তো মনে করেন আরেক দল থেইকা দাঁড়াইছে। ছানোয়ার ভাই এ্যামনে লোক হিসেবে ভালো আছে। কিন্তু লোকজন বলে, বিএনপির সাপোর্ট বেশি। আমি ভোট দিলে বিএনপিরেই ভোট দিমু।”

লড়াইটা ধান আর নৌকার মধ্যেই হবে বলে মনে করেন টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের আলম রিপন।

তিনি বলেন, “শেষ পর্যন্ত ধানের শীষেরই জয় হবে। মাহমুদুল হাসান দীর্ঘদিনের এমপি। এ এলাকার অনেক উন্নয়ন তার হাত ধরে হয়েছে, ব্যক্তি ইমেজ ভালো। এছাড়া চরে তার বাড়ি বলে সেখানে তার একক আধিপত্য। এজন্য এখনও আশা করছি, সুষ্ঠু ভোট হলে তিনি জিতবেন।”

শহরের আদালতপাড়ায় কথা হয় ১৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার নাসির উদ্দিন রূপকের সঙ্গে।

সুষ্ঠু ভোটের আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমরা সবাই সমাজবদ্ধ। এজন্য মারামারি হানাহানি কম হয়। যে অবস্থা তাতে এখন পর্যন্ত মনে হচ্ছে, নির্বাচন সুষ্ঠুই হবে। যদি আমার প্রার্থী হারে, তারপরও আমি চাই নির্বাচন সুষ্ঠু হোক। এখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। তবে মূল লড়াই হবে ধানের শীষ আর নৌকার মধ্যে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here