দুই সপ্তাহে প্রচারে উচ্চমাত্রার সহিংসতায় যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন

0
110
মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার

মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেছেন, গত দুই সপ্তাহের প্রচারের সময় উচ্চমাত্রার সহিংসতায় যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। সহিংসতায় সব রাজনৈতিক দল আক্রান্ত হয়েছে। সেই সঙ্গে সংখ্যালঘু ও নারী প্রার্থীরাও শিকার হয়েছেন। বিরোধী দলের প্রার্থীরা বেশি সহিংসতার শিকার হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিনে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, সহিষ্ণু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রত্যাশা করে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে আর্ল রবার্ট মিলার এসব কথা বলেন। 

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে ঘণ্টাখানেক বৈঠক করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, ‘স্বল্প সময়ের মধ্যে আমার সঙ্গে বৈঠক করার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য সকল কমিশনারকে আমি ধন্যবাদ জানাই। গত দুই সপ্তাহের প্রচারের সময় উচ্চমাত্রার সহিংসতায় যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচন কমিশনের কাছে বৈঠক চেয়েছে। সহিংসতায় সকল দল আক্রান্ত হয়েছে। সেই সঙ্গে সংখ্যালঘু ও নারী প্রার্থীরাও শিকার হয়েছেন। বিরোধী দলের প্রার্থীরা বেশি সহিংসতার শিকার হয়েছে। দল মত নির্বিশেষে সব বাংলাদেশি যাতে রোববার ভোট দেওয়ার নিরাপদ পরিবেশ অনুভব করে এবং নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে সেই সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার সুযোগ পাওয়াতেই সাধুবাদ জানাই।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনে ৭০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে থাকে, যার ফলে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি নিয়ে বাংলাদেশ গর্ব করতে পারে। একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে মত প্রকাশ এবং সমাবেশের সুযোগ থাকতে হবে।

রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার বলেন, নির্বাচনী সংবাদ প্রকাশের স্বাধীন গণমাধ্যম যাতে কাজ করার সুযোগ পায় সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচনের অংশীজন সবাইকে অবাধে তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে। সকলে যাতে হয়রানি, উসকানি ও সহিংসতা মুক্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিনে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, সহিষ্ণু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রত্যাশা করে।

লিখিত বক্তব্যের পর জাতিসংঘের মহাসচিবের বিবৃতি পাঠ করে শোনান তিনি।

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাথে দূতাবাসের আরও দুইজন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here